‘কিছু মানুষের জন্য সবার দিকে আঙ্গুল তোলা ঠিক নয়’

শামছুল হক রাসেল | ১৬ জুন ২০১৬ | পড়া হয়েছে 928 বার

‘সবার মধ্যে প্রফেশনালিজম থাকতে হবে। মিডিয়ার কাজকে দেখতে হবে অ্যাজ অ্যা জব হিসেবে। তা হলেই কেটে যাবে সব বাধা-বিপত্তি। কিছু মানুষের জন্য সবার দিকে আঙ্গুল তোলা ঠিক নয়।’ মিডিয়ায় ক্যারিয়ার ও ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে একান্ত আলাপকালে এমনটাই বললেন উদীয়মান মডেল ও অভিনেত্রী রানী আহাদ। বর্তমানে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল দীপ্ত’তে প্রচারিত পালকী ধারাবাহিকের সাবা চরিত্রে অভিনয় করে বেশ নজর কেড়েছেন এই লাস্যময়ী। মাত্র দেড় বছরের পথ চলায় আলোচনায় এসেছেন তিনি। বেশ কয়েকটি পণ্যের মডেল এবং নাটকেও অভিনয় করেছেন। ইতিমধ্যে প্রচার হয়েছে ‘মন চোর’ টেলিফিল্ম আর প্রচারের অপেক্ষায় রয়েছে ‌’বাইসাইকেলটি’।

অনেকটা শখের বসেই মিডিয়ায় রানীর পথচলা শুরু। দেশের বাইরে থেকে শেষ করেছেন গ্রাজুয়েশন। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তার অবস্থান মেজো। বর্তমান ব্যস্ততা সম্পর্কে জানতে চাইলে রানী বলেন, ‘দুটি মিউজিক ভিডিও ও একটি টিভিসির কাজ শেষ করলাম। আর ‘পালকী’ নাটক নিয়ে মহাব্যস্ত আছি। বলতে পারেন, আমার সব ধ্যান-জ্ঞান এখন এই সিরিয়ালের জন্যই । এ ছাড়া বেশ কয়েকটি টেলিভিশন থেকেও নাটকের প্রস্তাব পেয়েছি। কিন্তু সময়ের অভাবে তা আর হয়ে উঠছে না। ওই যে বললাম… পালকী, এ নাটকটিকে আমার ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখছি। তাই আপাতত অন্য নাটকে সময় দিচ্ছি না।’
bgft

 

এ নাটকের কোনো মজার ঘটনা বা স্মৃতি বলবেন কি? এমন প্রশ্নে অনেকটা হেসে রানী বলেন, ‘পালকী নাটকে শুটিংয়ের সময় আমাদের টেলিভিশন চ্যানেলটির অফিস নির্মিতব্য ছিল। তাই অনেকটা অগোছাল পরিবেশে শুটিং করেছি। যেদিন টেলিভিশন ভবনটি উদ্বোধন হলো নিজের মনে খুশির জোয়ার বইছিল। মনে হচ্ছিল নিজেরই জন্মদিনের অনুষ্ঠান হচ্ছে। এ ছাড়া এ নাটকের সহকর্মীরা খুব কো-অপারেটিভ। এখানে কাজের পরিবেশ খুব ভাল।’

ক্যারিয়ার নিয়ে অনেকটাই উচ্ছ্বসিত রানী বলেন, ‘মিডিয়ায় কাজ নিয়ে অনেকেই নাক সিটকায়। যা মোটেও ঠিক নয়। এটাকেও জব হিসেবে দেখতে হবে। কিছু মানুষের জন্য সবার দিকে আঙ্গুল তোলা ঠিক নয়। সর্বক্ষেত্রে প্রফেশনালিজমের ছোঁয়া লাগাতে হবে। তাহলেই বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাবে আমাদের মিডিয়া।’
মিডিয়ায় আসার ক্ষেত্রে সবসময় পরিবারের সমর্থন পেয়েছেন বলে জানান রানী। তিনি বলেন, ‘এ পথ চলায় পরিবার আমার সাহস জুগিয়েছে। বাবা-মা, ভাই-বোন দিয়েছে উৎসাহ। তাদের সমর্থন না থাকলে আমার পথচলা এলোমেলো হয়ে যেতো।’

এ ছাড়া এখন তার ভাবনা ভালো কিছু কাজ করা। আগামীতে আরও পড়াশোনা করে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে চান তিনি। প্রতিষ্ঠিত করে তুলতে চান, আর হতে চান সেরাদের সেরা। তার জন্য রানী সব বাধা সব কষ্ট সহ্য করতে প্রস্তুত।

মন্তব্য করতে পারেন এখানে...

আরও লেখা

সব লেখা